শনিবার, জুন ১৫, ২০২৪

কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজকে হাইকোর্টে তলব

সিসিএন অনলাইন ডেস্ক:
কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে করা এক মামলায় আসামিদের জামিন দেওয়ার বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে আগামী ১৬ জুলাই সশরীরে তাকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

ওই মামলায় আসামিদের জামিন মঞ্জুর করে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দেওয়া আদেশের বিরুদ্ধে করা এক আবেদনের শুনানি নিয়ে বুধবার (২১ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন।

এর আগে হাইকোর্টে আবেদনটি করেন রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান খোদেস্তা বেগম (রিনা)।

আবেদনকারী পক্ষ জানায়, জমির দখল নিয়ে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটনোর অভিযোগে মিঠাছড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ ভুট্টোসহ নয়জনের বিরুদ্ধে খোদেস্তা বেগম সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত–১ ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী দ্রুত বিচার আদালতে নালিশি মামলা করেন। এ মামলায় আসামিরা হাইকোর্টে আগাম জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ এপ্রিল হাইকোর্ট তাদের ছয় সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন।

এরপর গত ২১ মে সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান আসামিরা। সেদিন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ৯ আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে একই দিন আসামিরা কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত ৯ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে খোদেস্তা হাইকোর্টে আবেদন (ফৌজদারি রিভিশন) করেন।

আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন জাগো নিউজেক বলেন, গত ২১ মে দুপুর ১২টার দিকে ৯ আসামি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। এর আগেই চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আদেশের কপি পাননি উল্লেখ করে সকাল ১০টার দিকে আদেশের বিরুদ্ধে আসামিরা জামিনের জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হলফনামাসহ আবেদন করেন।

এ ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জামিন নামঞ্জুরের আদেশসহ অন্য কাগজপত্রের প্রত্যায়িত অনুলিপি বা প্রত্যায়িত অনুলিপির ফটোকপি দাখিল করা হয়নি। আসামির হাজতবাসের মেয়াদসহ সার্বিক বিবেচনায় তাদের জামিন মঞ্জুর করা হয়—আদেশে উল্লেখ করেছেন জেলা জজ। অথচ ৯ আসামি এক মুহূর্তও হাজতে ছিলেন না। শুনানিতে হাজতবাসের বিষয়গুলো তুলে ধরা হলে জেলা ও দায়রা জজ আসামিদের কীভাবে জামিন দিলেন—এ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে আগামী ১৬ জুলাই তাকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মামলার যাবতীয় নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছে।

সূত্র: জাগো নিউজ ২৪

আরও

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ খবর