প্রেস রিলিজঃ
কুসংস্কার নয়, সাম্প্রদায়িকতা নয়; আগামীর শিশুদের গড়ে তুলতে হবে অসাম্প্রদায়িকতার চেতনার মধ্য দিয়ে। বিজ্ঞানমনস্ক ও মানবিকবোধসম্পন্ন জাতি গঠন করতে হলে প্রথমে শিশুদের মধ্যে সাহিত্য-সংস্কৃতি-তথ্য প্রযুক্তি ও সৃজনশীল কাজের বিকাশ ঘটাতে হবে। ভাষা আন্দোলনের অগ্নিগর্ভ থেকে জন্ম নেয়া প্রতিষ্ঠান খেলাঘর সেই কাজটিই করছে।
শিশু সংগঠন খেলাঘরের ৭২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আলোচকরা।

৩রা মে শুক্রবার বিকেল ৩টায় কুতুবদিয়া শিল্পকলা একাডেমির মাঠে বাতিঘর খেলাঘর আসরের উদ্যোগে খেলাঘরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কেক কাটা, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
বাতিঘর খেলাঘর আসরের প্রতিষ্ঠাতা মাস্টার সমীর শীলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঈনুল হোসেন চৌধুরী।

খেলাঘর পৃথিবীর শান্তি, স্বাধীনতা ও মুক্তিকামী মানুষের সাথে একাত্মতার উপর ভিত্তি করে সকল কর্মকান্ড পরিচালনা করে। তাছাড়া বিদেশি সাংস্কৃতি বাদ দিয়ে দেশি সাংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে বাতিঘর খেলাঘর আসর কাছ করবে বলে মনে করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মঈনুল হোসেন চৌধুরী।

বাতিঘর খেলাঘর আসরের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেমের সঞ্চালনায় উক্ত আলোচনায় জেলা খেলাঘরের সভাপতি সুবিমল পাল পান্না, কক্সবাজার জেলা খেলাঘরের সহ সভাপতি কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সদস্য উৎপলা বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক এম জসিম উদ্দিন, খেলাঘর সংগঠন তাপস মল্লিক,বাতিঘর খেলাঘর আসরের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাংবাদিক নজরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

খেলাঘর জেলা নেতৃবৃন্দরা বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং শোষণমুক্ত সমাজ খেলাঘরের মৌলিক চেতনা। খেলাঘর শিশুর বিকাশ, শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা ও লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণসহ সাহিত্য, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও ক্রীড়াক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে। তাইতো মুক্ত স্বদেশে খেলাঘর শ্লোগান তৈরি করে ‘এসো গড়ি খেলাঘর, এসো গড়ি বাংলাদেশ’।
উক্ত অনুষ্ঠানে দরিনগর খেলাঘর আসরের সভাপতি মিনা মল্লিক, ঝিনুকমালা খেলাঘর আসরের জয়ন্তী রাণী দে, বাতিঘর খেলাঘর আসরের মোঃ আমিনুল ইসলাম, আবু সিদ্দিক রিপন, মাসুদুর রহমান, সাংবাদিক মহিউদ্দিন, আফজালুর রহমান রিপন সহ সহস্রাধিক শিশু-কিশোর উপস্থিত ছিলেন।
পরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার বিতরণ, বাতিঘর খেলাঘর আসরের সদস্যদের পরিবেশন মনোঙ্গ সাংস্কৃতিক অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়।