মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৪

বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিপিএম পদক পেলেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার

সিসিএন অনলাইন ডেস্ক:
বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ অর্জন করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম। এছাড়াও ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)- সাহসিকতা’ অর্জন করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে তাদের পদক পরিয়ে দেয়া হয়।
এছাড়াও বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক (পিপিএম) পেয়েছেন পেকুয়া থানার সাবেক ওসি মোহাম্মদ ওমর হায়দার এবং চকরিয়া থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ মহসীন চৌধুরী।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজুল ইসলাম বিগত ২০০৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন। গত ২০২২ সালের ২৫ আগস্ট পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন কক্সবাজারে।

২০২৩ সালে পুলিশ সুপারের গৃহীত কর্মকাণ্ড:
পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল যানবাহন চালক ও গাড়ির স্মার্ট ডাটাবেজ ‘কক্স-ক্যাব’ এর উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রধানতম পর্যটন শহরে নিরাপদ ও পর্যটন-বান্ধব স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন।

বিদ্যমান অবকাঠামোকে ব্যবহার করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কক্সবাজারে নিরাপদ ও পর্যটন-বান্ধব স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ার লক্ষ্যে নিম্নস্বাক্ষরকারীর পরিকল্পনা ও দিক-নির্দেশনায় কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক বিভাগ পর্যটন এলাকায় চলাচলরত সকল যানবাহন ও চালকদের একটি স্মার্ট ডাটাবেজ তৈরি করেছে। উক্ত স্মার্ট ডাটাবেসের নামকরণ করা হয়েছে কক্স-ক্যাব। যার ওয়েবসাইট ।
যেখানে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি চালকের নাম, ছবি, মোবাইল নাম্বার, ব্লাড গ্রুপ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানাসহ তথ্য ইনপুট দেয়া হয়েছে। নিবন্ধিত চালকদের কক্স-ক্যাব এর লোগো সম্বলিত ভেস্ট প্রদান করা হয়েছে। নিবন্ধিত চালকদের ভেস্টের সাথে বিশেষ কারিগরি প্রযুক্তিতে তৈরি করা ৫ইঞ্চিx৮ইঞ্চি সাইজের একটি প্লেট প্রদান করা হয়েছে। যার এক পাশে চালকের নাম ও ছবি, অন্য পাশে চালক ও গাড়ির তথ্য সম্বলিত কিউ.আর রয়েছে যা গাড়িতে দৃশ্যমান স্থানে ঝুলানো থাকে। এছাড়া কক্সবাজারে পর্যটন সংশ্লিষ্ট সকল তথ্য একটি প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে “One-Stop Tourist Service” তৈরি করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত ১০ ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন ও আসামি গ্রেফতারে নেতৃত্ব দিয়েছেন পুলিশ সুপার। আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তি মোতাবেক ওই মামলার ঘটনার সাথে জড়িত ৩০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।
২০২৩ সালে মানবপাচার বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৫৬ জন ভিকটিমকে উদ্ধার, ২৭টি মামলা রুজু এবং মামলা সমূহে ১৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় বিপুল অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করায় সারা দেশে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অভিযানে কক্সবাজার জেলা গ্রুপ “খ” এ প্রথম স্থান অর্জন করে।

এছাড়াও পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় বিপুল মাদক জব্দ করায় সারাদেশে মাদক উদ্ধারে কক্সবাজার জেলা গ্রুপ “খ” এ ৩য় স্থান অর্জন করে।

আরও

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ খবর