শনিবার, জুন ১৫, ২০২৪

রমজানে পর্যটক শূন্য কক্সবাজার

সিসিএন প্রতিবেদক:

একদিকে মার্চে শেষ হয়েছে পর্যটন মৌসুম, অপরদিকে চলছে রমজান মাস। এ কারণে পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে দেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার। রমজান শুরু থেকে জনশূন্য হয়ে আছে দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতসহ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো।

তবে ঈদকে সামনে রেখে মেরামত ও নতুন করে সাজসজ্জার কাজ শুরু করেছে অধিকাংশ হোটেল, মোটেল-কটেজ ও রেস্টুরেন্টগুলো। একই সাথে ছাঁটাই করা হয়েছে অনেক কর্মচারীদেরও।

জানা গেছে, রমজানের শুরু থেকে কক্সবাজারে পর্যটক শূন্য। তাই পর্যটন জোন কলাতলীর সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল ও কটেজগুলোর বুকিংও শূন্য। একই সাথে পর্যটন জোনের সব ধরনের খাবার হোটেলেও ক্রেতা না থাকায় বেশির ভাগ হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখা হয়েছে।

সময়ের হিসেবে শেষ হয়েছে পর্যটন মৌসুম। তার ওপর এসেছে রমজান। সব মিলিয়ে পর্যটক শূন্য হয়ে পড়েছে কক্সবাজার। পহেলা রমজান থেকে এক প্রকার জনশূন্য হয়ে আছে কক্সবাজারের পর্যটন স্পটগুলো। পর্যটক না থাকায় মেরামত ও সাজ-সজ্জার কাজ শুরু করেছে অধিকাংশ হোটেল-মোটেল-কটেজ ও রেস্টুরেন্টগুলো। এ ছাড়া ছাঁটাই করা হয়েছে কর্মচারীও।

কক্সবাজার শহরের কলাতলী ওয়ার্ড বীচের ফ্ল্যাট ব্যবসায়ী তৌহিদুর ইসলাম বলেন, রোজা শুরু হাওয়ার পর থেকে কক্সবাজার একদম পর্যটক নেয়। গত তিন দিনে একটি কক্ষও ভাড়া দিতে পারেননি। তবে এই সময়ে রুম গুলোর মেরামতের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারন ঈদের দিন থেকে পর্যটক আসতে শুরু করবে। এই এক মাসে ব্যয় ঈদের ছুটিতে পুষিয়ে নিতে হবে ।

একই কথা জানিয়েছেন শালিক রেস্তোরাঁর মালিক নাছির উদ্দীন বাচ্ছু। তিনি জানান এই মূহুর্তে কক্সবাজারে একদম পর্যটক নেয়। অন্যান্য বছর কিছুটা পর্যটক থাকলেও এবারে একদম নেয়। ঈদ মৌসুমকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

পর্যটক না থাকার এ সময়কে মেরামত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সাজ-সজ্জার মোক্ষম সময় হিসেবে নিয়েছেন মালিকরা। আগামী মৌসুমের উপযোগী করতে এখন অধিকাংশ হোটেল-মোটেল-কটেজ ও রেস্টুরেন্টে মেরামত, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সাজ-সজ্জার কাজ চলছে।

হোটেল আইল্যান্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নূরুল কবির পাশা বলেন, পুরো রমজান মাস পর্যটক আসবে না। ফলে বুকিং শূন্য থাকবে সব কক্ষ। এখন হোটেলকে নতুন রূপে তৈরির উপযুক্ত সময়। তাই হোটেলের কক্ষগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে শুরু করে বাহ্যিক স্থানগুলোকেও নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার বলেন, স্বাভাবিকভাবে রমজান মাসে পর্যটক তেমন থাকে না। এবার কিন্তু পর্যটক শূন্যতা বেশি দেখা যাচ্ছে। ফলে সব ধরনের হোটেল-মোটেল ও গেস্ট হাউসে বুকিং শূন্য রয়েছে।

শুধু হোটেল-রেস্টুরেন্ট নয়, রমজানের কারণে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসাগুলোও বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে সৈকত এলাকার ঝিনুক, আচার, মাছ ফ্রাই এবং কাপড়ের দোকানগুলো ৯০ শতাংশ বন্ধ রাখা হয়েছে।

হোটেল-মোটেল কর্মকর্তা-কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ বলেন, পর্যটক না থাকায় বহু হোটেল-কটেজে কর্মচারী ছাঁটাই করে। এতে পুরো রমজান ও ঈদে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেশ কষ্ট পাবে তারা।

আরও

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ খবর